‘সিনিয়র যদি এমন হয়…’! ভাগ দিদি নম্বর ১-এ, স্বস্তিকাকে নিয়ে কী লিখলেন ঐন্দ্রিলা?
সম্প্রতি দিদি নম্বর ১-এ অংশ নিয়েছিলেন ঐন্দ্রিলা বোস। সেখানে স্বস্তিকার সঙ্গে কেমন অভিজ্ঞতা হল অভিনেত্রীর?
যখনই দিদি নম্বর ১ সঞ্চালনার দায়িত্ব রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের কাছে আসে, তখন অনেকেই ভরিয়েছিলেন কটাক্ষে। তবে স্বস্তিকা বাংলার ‘নতুন দিদি’ হিসেবে প্রমাণ করেছেন নিজেকে। ট্রোলারদের কাছে সাফ বার্তা দিয়েছেন, নেতিবাচকতায় কান দিতে রাজি নন। আপাতত নিজের মতো করেই দিদি নম্বর ১ শো এগিয়ে নিয়ে যেতে চান।

আর এবার স্বস্তিকাকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় মনের কথা তুলে ধরলেন সম্প্রতি দিদি নম্বর ১-এ প্রতিযোগী হিসেবে আসা ঐন্দ্রিলা বোস। সম্প্রতি দিদি নম্বর ১ খেলতে এসেছিলেন তিনি। আর নিজের অভিজ্ঞতা ভাগ করে লিখলেন, ‘আমার সহ-প্রতিযোগীদের সঙ্গে এবং—সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে—আমার প্রিয় অভিনেত্রী ও একজন অসাধারণ মানুষ (বাইরে ও ভেতরে)—@swastikamukherjee13-এর সঙ্গে দারুণ সময় কেটেছে।’
এরপর স্বস্তিকার উদ্দেশে ঐন্দ্রিলা লেখেন, ‘আপনি সত্যিই আমার হৃদয়ের একটা অংশ নিজের করে নিয়েছেন। একজন 'সিনিয়র' বা অগ্রজ হিসেবে নিজেকে এতটা মার্জিত, আন্তরিক, বিনয়ী ও উদারভাবে উপস্থাপন করা যদি আদর্শ হয়, তবে ঠিক এমন একজন মানুষই তো হওয়া উচিত।’
‘আপনার উপস্থিতি, আপনার মিষ্টি আচরণ এবং মানুষকে যেভাবে আপনি গুরুত্ব দেন ও বিশেষ অনুভব করান—তা সত্যিই অসাধারণ। আপনার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা ও মুগ্ধতা ছাড়া আর কিছুই নেই।’, স্বস্তিকার জন্য আরও লেখেন ঐন্দ্রিলা।
স্বস্তিকা আসার পর একদম নতুন ফরম্যাটে সাজানো হয়েছে দিদি নম্বর ১। পুরনো নিয়ম ভেঙে এবার প্রতি এপিসোডে চার জনের বদলে একবারে ১০ জন প্রতিযোগীকে নিয়ে খেলা হচ্ছে। সঙ্গে সময়ও বদলেছে। দীর্ঘ সময় ধরে এটি বিকেলের স্লটে এলেও, এখন সম্প্রচার হচ্ছে রাত ১০টা ১৫-তে।
২০০৯ সাল থেকে শুরু হয়েছিল দিদি নম্বর ১-এর যাত্রা। যদিও প্রথম সিজনের সঞ্চালনার দায়িত্ব ছিল পুষ্পিতা মুখোপাধ্যায়ের হাতে। দ্বিতীয় সিজন থেকে দিদি নম্বর ১-এর সঞ্চালিকা হিসেবে আসেন রচনা। মাঝে রচনাকে সরিয়ে একবার দিদি নম্বর ১-এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল জুন মালিয়ার কাঁধে। এমনকী, ষষ্ঠ সিজনে এসেছিলেন দেবশ্রী রায়ও। তবে দর্শক মনে দুজনের কেউই সেভাবে প্রভাব ফেলতে পারেননি।
ছোটপর্দা এবং ওটিটি মাধ্যমের একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা। সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে মডেলিংয়ের পেশার সঙ্গেও যুক্ত। ২০১৭ সালে স্টার জলসার 'স্বপ্ন উড়ান' ধারাবাহিকের মাধ্যমে অভিনয় জগতে তাঁর পথচলা শুরু হয়। আলো ছায়া, মন ফাগুন, 'শুভদৃষ্টি', 'সাহেবের চিঠি', 'মিলি', 'পুবের ময়না'-র মতো মেগায় করেছেন কাজ। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে তাঁকে 'সাত পাকে বাঁধা'-য়। 'কুলার আচার', 'সাদা রঙের পৃথিবী'-র মতো ওটিটি প্রোজেক্টেরও অংশ ছিলেন তিনি।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


